Monday, 7 November 2016

:* :* তুমি আমার :* :*

তুমি ত চাদের আলো,
তোমায় গায়ে মাখতে ইচ্ছা করে
তুমি ত বাঁশী র সুর....
তাই গাইতে ইচ্ছা করে
তুমি ত বিশাল আকাশ,
তোমার মাঝে উড়তে ইচ্ছা করে
তুমি ত আকাশের তারা,
তোমার মঝে জ্বলতে ইচ্ছা করে
তুমি তো ভোরের সূর্য
তোমার নিয়ে সকাল শুরু করতে ইচ্ছা করে
তুমি তো দখিনা বাতাস....
তোমায় ছুয়ে দেখতে ইচ্ছা করে
to be continued.....
চলো যাই...
চলো যাই দিগন্ত ফেলে....
উড়ে যাই চলো পাখা মেলে...
চলো সবুজ ঘাসের নরম বিছানায়...
তোমার আমার গল্প সাজাবো নানা বাহানায়....
চলো হারিয়ে যাই ভালবাসার মাঝে....
সাজিয়ে দিবো তোমায় আমি গোধুলির সাজে....
জ্যোৎস্না মাখা আলো আধারের রাতে...
তোমার মাথায় তেল দিয়ে দিবো নিজের হাতে...
চলো না,চলো না যাই,আমাদের পৃথিবীতে....
যেথায় উড়ে বেরাবো দুজন,ঐ দূর নীল আকাশ টাতে...
রাতে অফিস বা ভার্সিটি থেকে এসেই যখন গরম ভাত আর তরকারী রেডি করা থাকে তখন মনে এক শান্তির ঢেউ খেলে যায়,কিন্তু কখনো কি কোন দিন সেই শান্তির বাহক আম্মু বা স্ত্রী কে বলেছেন?
"আজ তোমার রান্না টা অনেক ভাল হয়েছে"
বাহির থেকে ফিরে এসে যখন টেবিলের সামনে গিয়ে বলেন
'ধ্যাৎ কি রান্না করছো এগুলা?খাওয়া যায় :/ বা আম্মু কি রান্না করো একটু ও লবন হয়নি
কিন্তু একটি বার ও ভেবেছেন এই রান্না গুলি আপনার জন্য ই যত্ন সহকারে করা হয়েছে?
সারাদিন পর প্রিয়মানুষের জন্য আসার সময় একটি ক্যাটব্যারি বা এক গুচ্ছ ফুল কিন্তু খুব বেশি দামি কিছু নয়।কিন্তু ভেবে দেখেছেন এই ছোট্ট গিফটে সে কত্ত খুশি হবে?
কত টাকাই ত খরচ করি কিন্তু আম্মু আব্বুর জন্য কখনো কি ছোট্ট গিফট এনে বলেছেন আম্মু এটা তোমার জন্য এনেছি???
সপ্তাহে বা মাসের কোন ছুটির দিন বিশ্রামের অজুহাত না দেখিয়ে যদি প্রিয় মানুষ টিকে নিয়ে একটু ঘুড়তে বের হোন তাহলে সম্পর্কে কিন্তু মধুরতা বাড়তেই থাকবে বা কমবে না।
স্বামি দিনে ১২ ১৪ ঘন্টা কাজ করে,সময় পায়না একটু ফোন দেওয়ার,তার উপরে বসের ঝারি ধমক আরো কত কিছু।
আপনি কিন্তু বাসার কাজের মাঝে একটু বিশ্রাম পান আপনার স্বামি হয়তো সেটাও পায় না,আপনি কি কখনো দুপুরে একটি টেক্সট করেছেন?
"দুপুরের লাঞ্চ টা ঠিক মতো করে নিও কিন্তু....
এমন আরো অনেক ছোট ছোট বিষয় আছে,যার মাধ্যমে আমাদের প্রিয়জনের মাঝে সম্পর্ক টা আরো মধুর বা ভালবাসা পুর্ন হতে পারে।আমরা চাইলেই পারি একটা সম্পর্কে কে খুশি সুখি রাখতে,সেটা ছেলের পক্ষ থেকে হোক বা মেয়ের পক্ষ থেকে।
কিন্তু কেনো পারিনা?
কারন আমরা নিজের স্বার্থ টা দেখি,আমি কি করেছি,সারাদিন কি কাজ করেছি তার হিসাবের ফর্দ আরেক জনের কাছে পেশ করি...
★স্বামি বাসায় এসে স্ত্রী কে বলছে সারাদিন ত বাসায় থাকো,ভাল করে রান্না ও করতে পারো না?অথচ সে এটা চিন্তা করে না পুরা সংসার টা সেই সাজিয়ে রেখেছে।
★ছেলে বাসায় এসে নিজের ব্যাস্ত তা বন্ধু বান্ধব নিয়ে ব্যাস্ত,মাকে বলার সময় ই হয়না আজ রান্না টা কিন্তু অনেক ভাল হয়েছে,বা নিজের টাকা বাচিয়ে বলেনা আজ তোমার জন্য এটা এনেছি,তুমি না চেয়েছিলে..
★অফিস থেকে ফিরার পথে স্বামির মনেই থাকেনা,বাসায় কেউ আমার জন্য অপেক্ষা করছে,কিছু একটা নেই না তার জন্য,হয়তো সে অনেক খুশি হবে।
★স্বামি গাধার মতো সারাদিন খেটে যখন রাতে স্ত্রী কে ফোন করে তখন স্ত্রী এটা ভাবেনা তার সাথে একটু ভাল ভাবে কথা বলা উচিৎ,উলটা যে ঝাড়ি ই দিয়ে বসে সারাদিন কি করো একটা ফোন ও দিতে পারো না???
আমরা সবাই সবার জায়গা থেকে উপরে থাকতে চাই।
সবাই নিজের কথা টাই ভাবি।
সুখ তো আমাদের আশে পাশেই ঘুরা ফিরা করে,শুধু শুধু নিজের কাজের কারনে হাতছাড়া করে ফেলি,আর পরিশেষে একে অন্যের উপর দোষারোপ দেওয়ার মিছিলে যোগদান করি। :/ :/ :/
বলেছি তো...

বলছি আমি ভুলে যাবো....
তুলবো না আর কাব্য কবিতার ঝর
বলছি ত আমি ভুলে যাবো...
তবে নিজের আমি কে ভুলে যাবার পর
বলছি তো আমি ভুলে যাবো...
গাইবো না আর বেসুরে গলায় গান
বলছি ত আমি ভুলে যাবো....
দেখাবো না তোমার প্রতি কোন টান
বলছি তো আমি ভুলে যাবো...
গাথবো না আর তোমার খোপায় ফুল
বলছি ত আমি ভুলে যাবো...
সাথে ভুলে যাবো অমিমাংশীত কিছু ভুল
ভুলে যাবো,ভুলে যাবো আমি
অজস্র যতো কথা
ফিরে যাবো আমি,আমার কাছে
ছিলাম আমি যেথা...
আদর....
ঠিক কবে,ঠিক কবে তোমার
ঠোটের ছোয়া পাবো,
নরম তোমার ঠোট দুটি
আলতো আবেশে ছুবো।
এলোকেশে তোমার আমি হারাবো
তোমার চোখে দিবো ডুব
তোমার বুকের ফুল বাগানের
যত্ন নিবো খুব।
গভীর রাতে তোমায় নিয়ে
ভালবাসায় যাবো ভেসে
বুকের মাঝে জড়িয়ে রাখবো
আহ্লাদে আবেশে।
তুমি আমি হারিয়ে যাবো
অজানা সুখের দেশে,
ভালবাসায় তোমায় ভরিয়ে দিয়ে
ফিরবো অবশেষে।
প্রায় এক বছর পর ছেলেটির ফোন হঠাৎ মেয়েটির ফোন এলো।
এত দিন পর এই নাম্বার দেখে অবাক হলো ছেলেটি।কাপা কাপা হাতে ফোন ধরে বললো হ্যাল্যো....
অপাস থেকে শুধু এতটুকুই বললো কমলাপুর আসতে পারবা?
ছেলেটি আসছি বলেই ফোন টা রেখে দিলো....
আবির আর আলিজার ব্রেকাপ হয়েছে প্রায় এক বছর আগে।কোন এক বিশেষ কারন ফ্যামিলির জন্য তারা মিউচুয়াল ব্রেকাপ করে নিয়েছিলো।আলিব বলেছিলো পালিয়ে বিয়ে করতে কিন্তু আলিজা রাজি ছিলো না তাই বাধ্য হয়েই ব্রেকাপ করে আলিব।তারপর আলিব ও সব ভুলে যেতে দুরের দেশে পাড়ি জমায়।কিন্তু ভাগ্য এখানে ও আলিবের সাথে খেলা করে।তাই এক বছর পর আলিব দেশে ফিরে আসে।এর মাঝ খানে মাঝে মাঝে আলিজার সাথে কথা হতো।কিন্তু সেটা না বলার মতো।দেশে এসেও যোগাযোগ করেনি আলিজার সাথে।
দীর্ঘ দেড় বছরের পর আলিজার ফোন পেয়ে এক প্রকার খুশি হয়ে যায় আলিব।কি এক অজানা কারনে আজ ও আলিজা কে ভুলা সম্ভব হয়নি আলিবের।খুশি মনে গুলিস্থানের দিকে রওনা হয় আলিব।মনে মনে ভাবছে কত দিন পর ওকে দেখবো।গল্প করবো ছবি তুলবো।কিন্তু গুলিস্থান থেকে কমলাপুরের বাসে উঠার পর ই আলিবের বুকে কেমন যেনো অস্থির লাগছিলো,যেনো কিছু একটা ভুল হচ্ছে।কিন্তু পাত্তা দেয়না আলিব।এর মধ্যে দুই বার ফোন দিয়েছে আলিজা।
৪৫ মিনিট পর কমলাপুর নেমে ফোন দেয় আলিজা কে।ফোন ধরেই আলিজা বলে একটা কথা বলবো কিছু মনে করবা না তো,রাগ কইরো না প্লিজ।আলিবের বুক টা ধুক করে উঠে।অপাশ থেকে ভেসে আসে "আমার সাথে আরেকজন লোক আছে তার আসতে এক ঘন্টা লেট হবে"
রাগে মেজাজ খারাপ হয়ে যায় আলিবের,শুধু এত টুকু বলে আমাকে কেনো ডাকছো?
আলিজাঃখুব বেশি দেখতে ইচ্ছা করছিলো :(
অনেক রাগ করার পর অপাশ থেকে কোন আওয়াজ আসেনা,আলিজা চুপ করে আছে।
আলিব মনে মনে ভাবে দেখা না করলে আলিব আলিজা দুজনেই কষ্ট পাবে।আলিজা একটু বেশি ই কষ্ট পাবে একটা অপরাধবোধ কাজ করবে ওর।মনে মনে মুচকি হেসে উঠে আলিবের ঠোট :) আলিজা ই খুশি হোক।কষ্ট না হয় আলিব একাই পাবে।
ওয়েটিং রুমের দরজার নক খুলেই পাশের সোফায় দেখতে পায় আলিজা কে।আলিব কে দেখে অনেক খুশি হয় আলিজা।ভেবেছিলো আলিব হয়তো চলে যাবে।কিন্ত আলিব আর পারছিলো না,বুক ফেটে কান্না আসছিলো।ঘড়ির কাটা তখন ৯ টা ২০ অলরেডি ৩০ মিনিট হয়ে গিয়েছে।আলিজা কা কে টেক্সট করলো আলিব...
"আমার যাওয়া উচিৎ"
আলিজা ও সম্মতি প্রকাশ করলো।
আলিজা খুশি,অনেক খুশি।
আলিব বের হয়ে হাওমাও করে কেদে উঠলো,কি ভেবেছিলো কি হলো।হাটতে হাটতে কাদতে ও কষ্ট হচ্ছে।চোখ মুছে ৬ নাম্বার বাসে উঠে আলিব।এত দিন পর দেখা হলো শুধু বলা হলো না...
"কোন কারন ছাড়াই আজো তোমাকেই ভালবাসি,তাই তোমার খুশির জন্য আজ ও ছুটে আসি"
পৃথিবী তে এমন কিছু আলিব থাকে যারা নিজের হাসিটা আলিজা দের দিয়ে দেয়।আর আলিবরা আত্মত্যাগ এর হিসাবের খাতা টা বড় করতে থাকে।
টোনাটুনির ভালবাসা <3
তোমার সাথে রাত পোহাবো
দেখবো সুর্য মেলা,
জ্যোৎস্না আলোয় তোমার সাথে
করবো লুকোচুরি খেলা
আমার বুকে তোমাকে নিয়ে
দেখবো সুখের স্বপন
তোমার বুকে ভালবাসার বীজ
করবো আমি বপন
সারারাত ঐ চাদের আলোয়
থাকবো তোমার সাথে
আমি গাইবো ভালবাসার গান
তুমি সুর মিলাবে তাতে
লক্ষি বাবুই এমন বলেনা
কষ্ট লাগে বুকে
ভাল ত আছি তোমাকে নিয়ে
অজানা কোন এক সুখে।
ভাল লাগে তোমার সাথে
তোমার সংগ পেতে
প্রতিটি অংগে তোমার
আমার ছোয়া দিতে।
তোমার রঙ এ জড়াবো আমি,
তোমাতে মিশে রবো,
তুমিহিন লাগে সব রংহীন
তোমাতে আমি হারাবো।
কিছু সুখ আসুক আসতে দাও না
কেনো গো দিচ্ছো বাধা
জীবন ই এমন,যাবেও তেমন
কেনো বাকিটা রবে আধা?
তোমার পাগল,তোমার বাবুই
তোমাতে মিশে থাকে,
হারিয়ে যায় যে কোন সাগরে
তোমাতে নিজেকে আকে
টোনা+টুনি=অদৃশ্য ভালবাসা