#একটি_নববর্ষের_রাত
রাত ১টা ৭ মিনিট।
গত দুই দিন ধরেই মন খারাপ আবিদের।কোন খবর নেই সুন্দরীর।চুপচাপ কম্পিউটারের সামনে বসে আনমনে পিছনের কিছু সৃতির কথা ভাবছে আবিদ।হটাৎ কি মনে করে ফেসবুকে ঢুকে আবিদ,আর সাথে সাথেই একটা এস এম এস পায়,ক্লিক করে দেখে সুন্দরীর এস এম এস।কিছু কথা লিখা,কিন্তু শেষ লাইন টা পড়ে মাথা এলোমেলো হয়ে যায় আবিদের...
“আমাকে ভুলে গিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করো”
সাথে সাথে কিছু রিপ্লাই পাঠায় আবিদ।কিন্তু পর মূহুর্তে যে রিপ্লাই টা আসে,তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলো না...
“আমি ভালোবাসিনা তোমায়”
বাকরুদ্ধ হয়ে যায় আবিদ।আর কোন রিপ্লাই দেওয়ার শক্তি থাকেনা ,মনে হতে থাকে হাতের আংগুল গুলো যেন অবস হয়ে গিয়েছে।এমন একটা সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে সেটা কল্পনা ও করেনি আবিদ।দেড় বছরের একটা সম্পর্ক যে এভাবে দেড় মিনিটের মাঝে ইতি ঘটতে পারে ভাবতেই পারছেনা।একাউন্ট টা লগ আউট করে বাসা থেকে বেড়িয়ে পরে।নির্জন রাস্তায় একাকি হাটতে থাকে।ফ্লাসব্যাকে ফিরে যায় সেই প্রথম দিনের একটা মূহুর্তে।
“চুপচাপ নদীর পাড়ে বসে আছে সুন্দরী আর আবিদ।একটু পরেই আবিদ কে রওনা দিতে হবে।কিন্তু দুজনের কেউ ই কাউকে যেন যেতে দিতে রাজি নয়।একটা বিষয় নিয়ে কথা বলছে দুজন।আবিদের কথা গুলো শুনে আনমনে ভাবছে সুন্দরী।অনেকক্ষণ চুপ থাকার পর সুন্দরী বললো কোন চিন্তা করো না,আমি তো তোমার সাথে আছি।তুমি তোমার টার্গেটে এগিয়ে যাও,আমি সারা জীবন তোমার পাশে থাকবো।“
রাস্তার কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দে বাস্তবে ফিরে আসে আবিদ।দেখে হাটতে হাটতে বেশ দূরে চলে এসেছে।সামনে একটা উচু জায়গায় বসে আবিদ,কিছুতেই যেন বিষয়টা মেনে নিতে পারছেনা।এত আশা,এত স্বপ্ন যেন মুহুর্তেই ধুলোয় মিশে গেলো।নিজের সবকিছু দিয়ে ভালোবেসেছিলো ওকে।কি করেনি ওর জন্য।অন্য দশটা ছেলের মতো বিষয়টা সহজ ভাবে মেনে নিতে পারেনা,নিজের দু হাতের দাগ গুলোর দিকে তাকিয়ে আর কিছু ভাবতে পারেনা আবিদ,হাউমাউ করে কান্না করতে থাকে আবিদ।এভাবে কতক্ষন কেটে গেছে বলতে পারবেনা, হটাৎ কারো ডাকে পিছনে ফিরে তাকায়,দেখে দুজন পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে।
এত রাতে কি করছেন এখানে?
(চোখ মুছে) না,এমনিতেই বসে আছি...
কি কোন সমস্যা?
না না কোন সমস্যা না,বাসায় ভালো লাগছিলো না,ভাবলাম বাইরে থেকে একটু হেটে আসি।
বাসা কথায় আপনার?
এইতো সামনেই...
যান যান বাসায় যান,জানেন না দেশের পরিস্থিতি ভালো না,এতো রাতে বাইরে থাকবেন না,যান বাসায় যান।
জি আচ্ছা...
আর কোন কথা না বলে বাসার পথ ধরে আবিদ।চোখ দিয়ে আবারো অশ্রু ঝরতে থাকে আবিদের।হটাৎ বুকের বাম পাশটা চিলিক দিয়ে উঠে।ব্যাথায় কুকড়ে যায় আবিদের মুখ।ডান হাত টা দিয়ে ব্যাথার জায়গাটা চেপে ধরে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে পানি খেয়েই বিছানায় এলিয়ে পরে আবিদ।এক অব্যাক্ত নীল কষ্টে বিবর্ণ হয়ে যায় আবিদের মুখ।একটা গানের কথা খুব মনে পরছে এখন...
সব কিছু বদলে গেলো,
এক রাতের নিমিষে,
তুমি হারিয়ে যাবে,
ভাবিনি আগে,
আজ তোমায় হারিয়ে,
একা এই রাতে,
ভাবনাতে তোমাকে,
রেখেছি এই বুকে,
ভাবি তুমি আসবে ফিরে,
ধরবে হাতগুলো,
বলবে তুমি কেঁদোনা,
ফিরে এসেছি এই দেখো,,,,,,,
জানি আসবেনা ফিরে কভু
তবু আশা রয়ে যায়.........
রাত ১টা ৭ মিনিট।
গত দুই দিন ধরেই মন খারাপ আবিদের।কোন খবর নেই সুন্দরীর।চুপচাপ কম্পিউটারের সামনে বসে আনমনে পিছনের কিছু সৃতির কথা ভাবছে আবিদ।হটাৎ কি মনে করে ফেসবুকে ঢুকে আবিদ,আর সাথে সাথেই একটা এস এম এস পায়,ক্লিক করে দেখে সুন্দরীর এস এম এস।কিছু কথা লিখা,কিন্তু শেষ লাইন টা পড়ে মাথা এলোমেলো হয়ে যায় আবিদের...
“আমাকে ভুলে গিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করো”
সাথে সাথে কিছু রিপ্লাই পাঠায় আবিদ।কিন্তু পর মূহুর্তে যে রিপ্লাই টা আসে,তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলো না...
“আমি ভালোবাসিনা তোমায়”
বাকরুদ্ধ হয়ে যায় আবিদ।আর কোন রিপ্লাই দেওয়ার শক্তি থাকেনা ,মনে হতে থাকে হাতের আংগুল গুলো যেন অবস হয়ে গিয়েছে।এমন একটা সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে সেটা কল্পনা ও করেনি আবিদ।দেড় বছরের একটা সম্পর্ক যে এভাবে দেড় মিনিটের মাঝে ইতি ঘটতে পারে ভাবতেই পারছেনা।একাউন্ট টা লগ আউট করে বাসা থেকে বেড়িয়ে পরে।নির্জন রাস্তায় একাকি হাটতে থাকে।ফ্লাসব্যাকে ফিরে যায় সেই প্রথম দিনের একটা মূহুর্তে।
“চুপচাপ নদীর পাড়ে বসে আছে সুন্দরী আর আবিদ।একটু পরেই আবিদ কে রওনা দিতে হবে।কিন্তু দুজনের কেউ ই কাউকে যেন যেতে দিতে রাজি নয়।একটা বিষয় নিয়ে কথা বলছে দুজন।আবিদের কথা গুলো শুনে আনমনে ভাবছে সুন্দরী।অনেকক্ষণ চুপ থাকার পর সুন্দরী বললো কোন চিন্তা করো না,আমি তো তোমার সাথে আছি।তুমি তোমার টার্গেটে এগিয়ে যাও,আমি সারা জীবন তোমার পাশে থাকবো।“
রাস্তার কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দে বাস্তবে ফিরে আসে আবিদ।দেখে হাটতে হাটতে বেশ দূরে চলে এসেছে।সামনে একটা উচু জায়গায় বসে আবিদ,কিছুতেই যেন বিষয়টা মেনে নিতে পারছেনা।এত আশা,এত স্বপ্ন যেন মুহুর্তেই ধুলোয় মিশে গেলো।নিজের সবকিছু দিয়ে ভালোবেসেছিলো ওকে।কি করেনি ওর জন্য।অন্য দশটা ছেলের মতো বিষয়টা সহজ ভাবে মেনে নিতে পারেনা,নিজের দু হাতের দাগ গুলোর দিকে তাকিয়ে আর কিছু ভাবতে পারেনা আবিদ,হাউমাউ করে কান্না করতে থাকে আবিদ।এভাবে কতক্ষন কেটে গেছে বলতে পারবেনা, হটাৎ কারো ডাকে পিছনে ফিরে তাকায়,দেখে দুজন পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে।
এত রাতে কি করছেন এখানে?
(চোখ মুছে) না,এমনিতেই বসে আছি...
কি কোন সমস্যা?
না না কোন সমস্যা না,বাসায় ভালো লাগছিলো না,ভাবলাম বাইরে থেকে একটু হেটে আসি।
বাসা কথায় আপনার?
এইতো সামনেই...
যান যান বাসায় যান,জানেন না দেশের পরিস্থিতি ভালো না,এতো রাতে বাইরে থাকবেন না,যান বাসায় যান।
জি আচ্ছা...
আর কোন কথা না বলে বাসার পথ ধরে আবিদ।চোখ দিয়ে আবারো অশ্রু ঝরতে থাকে আবিদের।হটাৎ বুকের বাম পাশটা চিলিক দিয়ে উঠে।ব্যাথায় কুকড়ে যায় আবিদের মুখ।ডান হাত টা দিয়ে ব্যাথার জায়গাটা চেপে ধরে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে পানি খেয়েই বিছানায় এলিয়ে পরে আবিদ।এক অব্যাক্ত নীল কষ্টে বিবর্ণ হয়ে যায় আবিদের মুখ।একটা গানের কথা খুব মনে পরছে এখন...
সব কিছু বদলে গেলো,
এক রাতের নিমিষে,
তুমি হারিয়ে যাবে,
ভাবিনি আগে,
আজ তোমায় হারিয়ে,
একা এই রাতে,
ভাবনাতে তোমাকে,
রেখেছি এই বুকে,
ভাবি তুমি আসবে ফিরে,
ধরবে হাতগুলো,
বলবে তুমি কেঁদোনা,
ফিরে এসেছি এই দেখো,,,,,,,
জানি আসবেনা ফিরে কভু
তবু আশা রয়ে যায়.........




