Sunday, 1 January 2017

তুমি আমি <3

রাত হয়েছে অনেক
ঘুমিয়েছে শহর,ঘুমিয়েছে ঘুম পরী
তুমি আমি আছি জেগে 
প্রেম নগরে,
আধার কালো আকাশে
উড়াচ্ছি ভালবাসার ঘুড়ি...

ঝিঝি পোকা ও ডাকছেনা
জোনাকি গুলি ও জ্বলছে না আর
ছাদে বসে তোমার কোলে
কবিতা লিখছি আপন মনে
আধারে ভরা ঘর আমার
তোমার আলোয় আলোকিত হয়েছে আবার....

আমি তোমাকে চাই,তোমাকে চাই
আকাশের এই বিশলতার মাঝে..
আমি তোমাকে চাই,তোমাকে চাই
আমার ভালববাসার সাজে।
তোমার আমার ভালোবাসা

তুমি আমার মন পুকুরের
পদ্মপাতার ফুল
রজনীগন্ধায় সাজিয়ে দিবো
তোমার দীঘল চুল।

তুমি আমার গোধুলি আলো
নীলাকাশের তারা
চাঁদ লাগেনা তুমি যদি রও
মন আলোতে ভরা।

তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখি
ছোট্ট ছোট্ট করে
তোমার আমার ছোট্ট আকাশের
ছোট্ট ঐ ঘরে।

স্বপ্ন গুলি যদি ও ছোট
অনেক বড় আশা,
তারি মাঝে বেচে রবে
তোমার আমার ভালবাসা....
<3
জানো পাখি... <3 <3
যখন রোজ রাতে,ফিরবো আমি
জড়িয়ে ধরে পাপ্পা দিবো কপালে
তুমি আমার সবচে দামি....

তুমি ভাত বসাবে রাইস কুকারে
চুলায় বসাবে কারি,
তুমি যে আমার মায়ার বাধনে
জড়ানো আবদ্ধ নাড়ি।

রোজ বিছানা আমি করে দিবো
টানাবো রোজ মশারি
তুমি সেজে আসবে আমার কাছে
পরে তোমার নীলচে শাড়ি...

আদরে আদরে ভরিয়ে দিবো
ভালোবাসার পাল উড়াবো...
তোমায় নিয়ে অজানা দেশে
হঠাৎ ই হারিয়ে যাবো।

আধার করা কালো আকাশে
চাঁদহীন রাতে তোমায় নিয়ে
লিখবো অজস্র কবিতা
তোমার কোলে শুয়ে....

ভালোবাসি গো ভালোবাসি
এছাড়া জানেনা কিছু মন
মন শুধু বলে কাছে থাক না
আরেকটু একটু কিছুক্ষন.....
সব পারি... 💕💕

তোমার জন্য সব পারি
যেতে চাই আমি তোমার বাড়ি

যদি বলো যেতে অনেক দূরে
শক্ত করে তোমার হাত টা ধরে

পাড়ি দিবো সব তোমার জন্য
তুমি শুধু থেকো,হয়োনা অন্য

ছেড়ে দিবো বলে ধরিনিতো হাত
রাঙাবো তোমার প্রতিটি প্রভাত

পাগলের সাথে একটু থেকো
বুকের কোনায় তাকে একটু রেখো

তুমি যে কি,জানোনা তুমি
তুমি তো পাগলের অন্ত ভূমি...
আমরা সবাই হতাশার কথা বলি...
সবা্র দুঃখের কথা শুনে শুনে নিজেই হতাশাগ্রস্থ হয়ে পরেছি। কেউ বলে না "আরে ব্রেকাপ হইছে তো কি হইছে? সে তোমার যোগ্য ছিলো না, বা তোমায় ভালই বাসতো না,যদি ভালই বাসতো তাহলে ছেড়ে যেতো না"
ভাল লাগছে না,তখন একটা স্যাড পোষ্ট দিলে কেউ সাহস যোগায় না সবাই স্যাড ইমো দিয়ে আর আর কিছু স্যাড কথা বলে বিদায় নিয়ে যায়।
কেউ বলেনা " আরে ভালো থাকা নিজের কাছে,নিজেকে বুঝাও আমি ভা্লো আছি,হয়তো কেউ আমার থেকে ও খারাপ আছে"
আমি ভালো আছি,আমার সব আছে,আল্লাহ আমাকে অনেক ভালো রেখেছে,এটা চিন্তা করুন।ইনশা আল্লাহ ভাল থাকবেন।
ভালবাসায় হতাশা কাজ করছে?
ভাবুন সে আপনার ছিলোই না,যদি আপনাকেই ভালবাসতো,তাহলে সে আপনার জন্য ফাইট করতো,এটলিস্ট ধোকা দিতো না।
যে আপনাকে ভালবাসবে সে কোন কারণ ছাড়াই ভালবাসবে।
হতাশা কাজ করবেই তার মতো,তবে তাকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।তাহলে আপনি পিছনে পরে যাবেন।
আপনি আগাবেন ঠিক আপনার মতো করে।আপনি ভাল থাকবেন।সত্যি ই আপনি ভাল থাকবেন............
আমরা কিন্তু পারি তাকে সময় দিতে।আমরা পারি তাকে সাহায্য করতে।আমরা পারি আমাদের ছুটির দিন টা কে তাকে উৎসর্গ করতে।কেউ হয়তো বলবেন
"আরে ভাই সপ্তাহে ৬ দিন কাজ করে এক দিন একটু শান্তি মতো ঘুমাতেও পারবোনা??"
আচ্ছা আপনি সারা দিন ঘুমাবেন?আপনার কি আপনার অফিসের মতো বসের ভয়ে থাকবেন? আপনি আপনার তাকে ভালবেসে তাকে সাহায্য করবেন।
আমরা চাইলেই আমাদের ছুটির দিন তাকে উপহার দিতে পারি।
প্রতিদিন যে আপনার জন্য চা,কফি বানিয়ে আসে,আপনি একদিন তার জন্য ভোর সকালে দুই কাপ গরম ধুমায়িত চা বানিয়ে তাকে ডেকে তুলে বলুন তো...
"নাও তোমার জন্য বানিয়ে নিয়ে এলাম"
দুপুরে যখন সে পেয়াজ কেটে বন্যা বইয়ে দিচ্ছে,আপনি তখন তাকে বলুন "আমি কেটে দিচ্ছি তুমি অন্য দিক টা দেখো"
সন্ধায় মাগরিব পড়ে তাকে নিয়ে কাছেই কোথাও ঘুরতে নিয়ে যান আপনার সাধ্যানুযায়ী কোন পছন্দের কোন জায়গায়।বউ কে বা গার্ল ফ্রেন্ড কে খুশি করার জন্য শুধু মাত্র চাইনিজ রেস্টুরেন্ট নয়,ঘন্টা করে ভাড়া করে সারা শহর ঘুরার মাঝে ও খুশি লুকায়িতো থাকে।
বিশ্বাস করুন,আপনার জীবনে সুখের অভাব হবেনা। :)
আমরা চাইলেই পারি,ছুটির দিন টা তাকে উৎসর্গ করতে....
ভাল থাকুন,ভাল রাখুন :)
ভালোসার" কোন সংজ্ঞা হয় না, একটা নিশ্চুপ অনুভূতির নাম ভালোবাসা …………
.
এই অনুভূতিটা উপলব্ধি করার ক্ষমতা যার যত বেশী, সে তত বেশী ভালোবাসতে জানে.…কিন্তু যখন এই অনুভূতিটা নষ্ট হয়ে যায় কারো ভুলের জন্য, তখন দুটি মানুষের মাঝে তিক্ততা ব্যাতিত আর কিছুই থাকে না …………
.
প্রকৃতপক্ষে এই অনুভূতিটা নষ্ট হয় না, বরং অনুভূতিটাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়, আর পেছনে দায়ী থাকে দুজনের মাঝে আমিত্ব,অহংকার আর কিছু ফালতু আধুনিকতা …………
কারন সম্পর্ক টিকে থাকার মুল কারনঃ
"দুজনের মাঝে যে কোন বিষয়ে সেক্রিফাইস করার তীব্র পজিটিভ মন-মানসিকতা" …………
তোকে মনে পরে.... <3 :* :*

ভোর সকালে পাখি যখন
কিচির মিচির ডাকে
মন যে আমার ভোরের শিশিরে
তোকে শুধু আকে

খানিক বাদে যখন ভাংগে
সূর্যি মামার ঘুম
তোর কপালে আকি তখন
রোজ সকালের চুম

ভর দুপুরে প্রখর রোদে
তুমি শীতল ছায়া
বুকের মাঝে জমছে শুধু
ভালবাসার মায়া

রোজ বিকালে তোকে নিয়ে
গোধুলীর দেশে যাবো,
সন্ধ্যা তারার আলো দিয়ে
তোকে সাজিয়ে দিবো।

তুই যে আমার পরান পাখি
রাখি মনের ঘরে,
মন টা আমার কেমন যেনো
শুধু তোকেই মনে পরে।
আপন মানুষটাকে আকুল ভাবে স্যরি বলা মানেই তার কাছে ছোট হয়ে যাওয়া নয়.. কিংবা দোষটা শুধুই আপনার এমনো নয়.. বরং আপনার কাছে ঘটে যাওয়া ঘটনার চেয়ে সে মুল্যবান এটাই বুঝায়।
ভুলটা সে করুক তবুও আপনি নাহয় স্যরিটা বলুন না, স্যরি বলে গলিয়ে দিন বরফ পাহাড়টা, দেখাবেন খানিক বাদে সে কেঁদে কেঁদে আপনাকে স্যরি বলবে বুকে নিবে।
সম্পর্কগুলো আজকাল ভীষন সহনশীলতার অভাবে ভুগছে.. আমরা শুধু জিততে চাই.. কেন যেন আমরা খুব ক্ষমতা দেখাই.. আমরা ভুলে যাই কিছু কিছু হার জয় অপেক্ষা মধুর।
ভীষন রাগে ফোনে চিৎকার করছেন, অপাশের মানুষটা স্তব্ধ হয়ে আছে, ফোনটা কেটে দেয়ার পর ও ওই মানুষটার কান থেকে ফোনটা সরে না, আপনার কন্ঠটাও থেমে যায় না.. দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া মানুষ টা বলতে পারে না সে কষ্ট পাচ্ছে...
ভাবুন তো সে কি চাইতো আপনার কাছে?? মনে করার চেস্টা করুন আপনি কি চাইতেন..
মানুষ কষ্ট পেলে প্রতিবাদ করে, আরও কষ্ট পেলে চিৎকার করে, কিন্তু তার চেয়ে বেশি কষ্ট পেলে স্তব্ধ হয়ে যায়। তার কান্না গুলো জমে যায়। সেটা গলানোর জন্য পাশে কাউকে চাই।
পৃথিবীর সব বীর পুরুষ তার প্রিয় মানুষটার কাছে বাচ্চা হয়ে থাকতে চায়, অবুঝ থাকতে ভালোবাসে.. যে ছেলেটা যুক্তি ছাড়া একটা কথাও মানে না সে চায় তার প্রিয় মানুষটার "সূর্য পশ্চিমে উঠে" এমন বাণীও মেনে নিতে চায়।
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর জিনিস মানুষের আবেগ, সবচেয়ে ভয়ংকর জিনিসও এই আবেগ। ভীষন আবেগী মানুষ গুলো কারও বুকে মুখ লুকাতে চায়, আর লুকাতে না পারলে হিংস্র হয়ে উঠে, কখনো নিজের উপর কখনো বা অন্যের।
আগ বাড়িয়ে স্যরি বলে একবার হেরেই দেখুন হার কত আনন্দের। হাত বাড়িয়ে বুকে নিয়ে আবেগের ধারালো বরফ কে অশ্রুতে গলিয়ে দিন।
ভালো থাকুন, ভালো রাখুন।
রোজ দুপুরে খেয়েই একটু ঘুমিয়ে নেয় নীল।রুটিন অনেক টাই পরিবর্তন করে ফেলেছে আগের থেকে।
এখন আর অযথা সময় নষ্ট করেনা।দিন গুলি ও আর আগের মতো নেই।কিছু জিনিসের মাঝে ব্যাস্ত থেকেই সময় কাটাতে চায় নীল।
এখন খুব সকালে উঠে হাটতে বের হয়,এসে খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি দিয়ে লেবুর শরবত।তার এক ঘন্টা পর সকালের নাস্তা।বাবা মা ও ইদানিং পেটের মেদ নিয়ে শংকায় আছে।তাই গতকাল ই নীলাঞ্জনা এই টিপস গুলি দিলো।
নীলাঞ্জনা ও খুব খুশি নীলের এই পরিবর্তনে।নীলাঞ্জনা হয়তো জানেই না তার এই খুশির হাসির পিছনে দুটি ঠোট মুচকি হেসে বলছে...
"নীলাঞ্জনা,তোমার সুখের হাসির জন্য নীলের সব হাজির"
কিন্তু আজ দুপুরে খেয়ে আর ঘুম আসছে না নীলের,কেনো যেনো মনে হচ্ছে নীলাঞ্জনার মন খারাপ।
বার বার নক করে ও কোন উত্তর পাইনি নীল।কিন্তু নীল ঠিক জানে নীলাঞ্জনার মন খারাপ।কেনো যেনো ওপাস থেকে মন খারাপের নিশ্চুপ নীরবতা নীলের মাঝে এক ধাক্কা দিয়ে যায়।
ঘুম হয়না আর নীলের।উঠে জানালার কাছে বসে পুকুর পাড়ের নীলচে পানির দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকে....
ইসসস নীলাঞ্জনার কাছে থাকলে ওর মন মূহুর্তেই ভাল করে দিতো :* নীলাঞ্জনার মন খারাপের প্রতিটি লাইন নীলের মুখস্থ :* হঠাৎ ই পাশ থেকে এক পশলা বৃষ্টি পানি নীলের মুখ ভিজিয়ে দিয়ে যায়। মেঘ করেছে আকাশে অনেক।বৃষ্টি ও শুরু হয়ে গিয়েছে।আর মেঘের মাঝে নিলাঞ্জনা কে খুজছে নীল।কাছে পেলেই ওর তিল মাখা ঠোটে আলতো পাপ্পা দিয়ে মন খারাপের মূহুর্ত টাকে সরিয়ে ভালবাসায় ভরিয়ে দিতো.....
হঠাৎ ই নীলের মোবাইলের স্ক্রিনে আলো জ্বলে উঠে....
শুধু একটা টেক্সট চোখে পরে..
"massage from nilanjonaa"
isss r parina tomak niye
ghumaw ni ekhono.... :/
নীলের চোখে ও হঠাৎ বৃষ্টিপানি অনুভব করলো....
তবে এটা দুঃখের নয়,,,,,
ভালবাসার <3 <3
<3 যাচ্ছি তবে যাচ্ছিনা....

যাচ্ছি তবে যাচ্ছি না
দূরে ত যাচ্ছি না
আছি আমি যে তোমাতে...

কাঁদবা কেনো তুমি
তুমি আমার ভুমি
থাকবা তুমি মনের বাসাতে...

আমি ভাসি প্রেম সাগরে
আমার বসত তোমার ঘরে

ভুলিবো কিভাবে তোমাকে
আসবো আবার,তোমার ঐ বুকে

কতো চাই তোমারে
ভাসি তোমার জোয়ারে
তুমি ছাড়া কেউ তো বুঝে না...

তুমি থাকো এই বুকে
আমার মন পাজরে
তাই তো আমার মন টাই মানেনা

আধার কালো আকাশে
শুকতারার আলোতে
তোমার প্রেমে আমি ডুবেছি

রাখবো মনের ঘরে
খুব যতন করে
তুমি ছাড়া কিভাবে বাচি।
ভালবাসার সিলমহর :* :* :* :*

নীলাঞ্জনার সাথে আজ ই প্রথম দেখা হবে নীলের।গতকাল কথা হয়েছে ফোনে,আজ ১২ টা ৪০ মিনিটে ট্রেন থামবে স্টেশনে।
নীলের ব্যস্ততার শেষ নেই।বাসার সবাই ই কিছু না কিছু তে ব্যাস্ত,তাই বাসার টুক টাক কাজ নীলের ই করে দেওয়া লাগে।আজ ভেবেছিলো একটু আগে আগে কাজ শেষ করে স্টেশনে রওনা দিবে।কিন্তু সেই দেরি হয়ে গেলো।কোন রকম একটা রুটি খেয়েই বের হয়ে পড়েছে।দেড় বছর ফেসবুকে কথা,ছবি আদান প্রদান অতঃপর দেখা ;) তাই নীলের আগ্রহের শেষ নেই।
ইসসস ইদানীং জ্যাম মনে হয় ঢাকার রাস্তায় বেড়ে গিয়েছে,কতদিন গুলিস্তান যায়,জ্যাম হয়না আর আজকেই জ্যাম বাধতে হলো :( তাড়িঘড়ি করে একটা ল্যাগুনাতে উঠে বসে জ্যামে আটকে আছে।মোবাইলের স্ক্রিনে নীলাঞ্জনার ছবি দেখছে আর ভাবছে কেমন হবে নীলাঞ্জনা...
যাক ছেড়েছে জ্যাম টা।এই চানখারপুলের রোড টা ছয় রাস্তার রোড বানানো দরকার,তা হলে যদি একটু জ্যাম কমতো।গুলিস্তান নেমেই তাড়াঘড়ি করে বি আর টিসি বাসে উঠে পরলো নীল।যাক তেমন ভীড় না,আরামেই পৌছে গেলো।কমলাপুর নেমেই ফোন দিলো নীলাঞ্জনা কে,বললো টংগি পার হয়েছে।একটু আগে আগেই এসেছে নীল।ভাবলো এই ফাকে একটু টিকিটের দাম টাম শুনে নেই।
১২.৪০মিনিট
একটি ট্রেন আসছে।অনেকেই ব্যাস্ত হয়ে পড়লো ট্রেন নিয়ে সেলফি তুলতে।আজকাল সবাই সেলফি রোগী হয়ে গিয়েছে,নীলের সেদিকে খেয়াল নেই,তার চোখ ট্রেনের ১ম বগিতে।
কি ব্যাপার লাল থ্রিপিস এর কেউ নামছে না কেনো???
ঐ যে... হুম্মম্ম পা দেখা গিয়েছে।
আরেকটু এগিয়ে যায় নীল।অপরিচিত মানুষের ভীড়ে নিলাঞ্জনা পরিচিত দুটি চোখ খুজছে।
পিছন থেকে স্পর্শ করে নীল....
--ও যাক চিনে গেছো????
--হুম্মম্ম না চিনার কি আছে :) এক বছর ধরেই তো দেখছি।
প্লাটফর্ম এ বসে দুজন।ভাবতেই পারছে না কেউ।অবশেষে দেখা হয়েই গেলো।কিছুক্ষন কথা বলে নীলাঞ্জনা বললো চলো কোথাও যাই।ভাইয়ার বাসায় গেলে তো আজ আর বের হতে পারবো না।
একটা সি এন জি নিলো নীল,হাতিরঝিল যাবে বলে।
সিএনজি ছেড়ে দিলো।কেউ ই কোন কথা বলছে না। :)
নীল ই প্রথম মুখ খুললো...
--দেখা হয়েই গেলো তাহলে :)
--হুম্মম তুমি ত ঠিক ই আছো,যেমন দেখেছি :)
--তো ঠিক ই তো থাকবো :/ আমি কি অনলাইন এর প্রডাক্ট এর মতো যে ছবি তে এক বাহিরে আরেক ;)
--হাহাহাহাহাহহাহাহহা... নিলাঞ্জনার সেই পরিচিত হাসি :*
নীলাঞ্জনা হাত রাখলো নীলের হাতে,সিএনজি ও ছুটছে গন্তব্যের পথে বিরতিহীন......
নীলাঞ্জনা আরো জোরে বাহু বন্দি করে রাখলো নীল কে।যেনো আজ থেকে আবদ্ধ আমরা :) :* :) ভালবাসার বন্ধনে।নীল নীলাঞ্জনার কপালে চুমু একে দিলো একটা।
যেনো ভালবাসার সিলমোহর একে দিলো....

<3 হুম্মম ভালবাসি তোমায়,
<3 বড্ড ভালভাসি,
<3 ভালবাসি তোমার মুখের
<3 সুখমাখা ঐ হাসি,

<3 ভালবাসি তোমার ছোয়া
<3 তোমায় কাছে পাওয়া,
<3 সিএনজি তে পাশাপাশি বসে
<3 ভালবাসার হাওয়া খাওয়া

<3 ভালবাসি খুব যখন তুমি
<3 কাধে রাখো মাথা,
<3 সেরে যায় সব বুকের মাঝে
<3 লুকিয়ে থাকা ব্যাথা
<3 <3 <3 <3 <3 <3 <3 <3 <3